ভ্রমণ কাহিনী

নেপাল থেকে ঘুরে

48views

এম এ রহমান: অসাধারণ লাগলো। এত সুন্দর সব কিছু – ঠিক ছবির মতো। আসতে মন চাইছিলো না। তবু সব পাখি নিড়ে ফেরে..এখন ফিরে আসার পর আবার যেতে ইচ্ছে করছে। হিমালয়

নেপাল এমন একটি দেশ যেখানে আপনি একসাথে পাবেন আপনার ছুটি উপভোগের সবকিছু , এ যেন এক সব
পাওয়ার দেশ। ইচ্ছে মত চুটিয়ে উপভোগ করতে পারবেন একান্তে নিভৃতে আপনার অবসর আপনার নিজস্ব স্বকীয়তায়। বিলাসী প্রান জুড়ানো সবুজের হাতছানি আপনাকে মুগ্ধ করবে প্রাচীন কোন হ্রদের ধারে কিংবা জলপ্রপাতের কলকল ধ্বনির সাথে ।

ঐতিহাসিক মন্দিরের পবিত্রতা ছুঁয়ে যাবে আপনাকে । মন্দির ,স্বচ্ছ হ্রদ ,সারি সারি সবুজ ভ্যালি , বন্য প্রানী সংরক্ষণ কেন্দ্র , পাহাড় কিংবা তাদের রাজপ্রাসদ সমূহ সব কিছুতেই মুগ্ধতা এ যেন পৃথিবীর বুকে এক টুকরো স্বর্গ। আমার বন্ধু ঘুরে এসে যে বর্ননা দিলো, মন আর মানলো না। এই সময়টা ওখানের অফ সিজন। বৃষ্টি হয় মাঝে মাঝে। বেস্ট সময় হলো সেপ্ট – মার্চ।

বিমান বাংলাদেশ আমি গিয়েছি প্লেন এ। ১৮ তারিখ। ফিরেছি ২৬ তারিখ। যেতে সময় লাগলো ১ ঘন্টা ১০ মিনিট মাত্র। ভিসা নিয়ে যাইনি। নেপালে “অন এরাইভাল”
ভিসা নেয়া যায় ওখানের এয়ারপোর্ট থেকে। তাই আগে থেকে ভিসা নিতে হয়নি। কাগজ ঠিক থাকলে ঝামেলা হবে
না। তবে ভালো হবে ডলার এন্ডরসমেন্ড করে গেলে ব্যাঙ্ক থেকে। আপনার কিছু সময় বাচবে যদি ইমিগ্রিশন এ ধরে।
তৃতীয় বার দেশের বাইরে যাওয়া। স্বাভাবিক ভাবেই কিছুটা
এক্সাইটেড। প্লেন ঠিক সময়ই ছাড়লো। নামলাম ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট এ।

নেপাল এ টুরিস্ট রা এলে প্রথমে যায় থামেল এ – রাজধানী কাঠমন্ডুর ভেতর ছোট একটি এলাকা টুরিস্ট দের জন্য
করা। এখান সরাসরি ধুলিখেলে উদ্দেশ্যে রওনা হলাম ।

প্রায় ৩ ঘন্টা পর ধুলিখেল পোছালাম সন্ধ্যায় । ও বলে রাখি আমরা ওয়াল্ড মিশন থেকে ৭৭ জন গিয়েছিলাম তাই তিনটা হোটেলে আমরা ছিলাম । রাতে বুফে খেলাম । সকাল বেলায় ভোর ৫ টায় উঠলাম । হিমালয়ের কোল ঘেশে সূর্য দেখলাম । আমরা মেঘের উপর ছিলাম দুই দিন । ঐ খান চলে আসলাম রাজধানী কাঠ মুন্ড হোটেল প্লাটিনাম হোটেলে ছিলাম ।

দিনব্যাপী সাইট সিং নাচ গান বিভিন্ন অনুষ্ঠান শেষ করে আমরা বাংলাদেশের পথে রওনা করলাম।

Leave a Reply